মোঃ আজগার আলী : রঙিন ফলে বর্ণিল উৎসব, ফলে ফলে মধুমাস, নিয়মিত খাবো দেশী মৌসুমী ফল -বাড়াবো মনোবল, শিক্ষিত জাতি হয়ে থাকবো সুস্থ সবল, স্কুলের প্রধান শিক্ষকের এই প্রতিপাদ্যেকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ঝাঁকজমক পূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে ফল উৎসব-২০২৩।
১২ই জুন সোমবার বেলা ১টায় ফল খাওয়ার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সাতক্ষীরা ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাথে পরামর্শ করে সকল শিক্ষককে সাথে নিয়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মধুমাস উযাপন করা হয়। প্রায় ১২শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মালেক গাজী, সহঃ প্রধান শিক্ষক মোঃ সেলিমুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষকবৃন্দ নাজমুল লায়লা, সাবিনা শারমিন, মোঃ আকতারুজ্জামান, মোঃ তৈবুর রহমান, শাহীনা পারভীন, কবীর আহমেদ, এম এম নওরোজ, শামীম পারভেজ, ফারুক হোসেন, রাবেয়া খাতুন, সিরাজুল ইসলাম, নাজমা সুলতানা, রোজিনা বুলি, দেব্রত কুমার মন্ডল, লিপিকা রানী মন্ডল, সাদিয়া আফরিন সাথী, আমেনা খাতুন প্রমুখ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, মানুষকে মধুমাসের কথা জানাতে ও ফলের উপকারিতার বার্তা দিতেই এমন আয়োজন। এখন মানুষের মধ্যে ফল খাওয়ার অনীহা তৈরি হয়েছে। প্রত্যেক ফলে আল্লাহর রহমত আছে। প্রত্যেক মানুষের জন্য সৃজনাল ফল খাওয়া খুব জরুরী। মধুমাসে ফল ব্যবসায়ীরা কীটনাশক মিশিয়ে ফলগুলোকে দূষিত করবেন না। তিনি আরও বলেন, ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার পাশাপাশি সমাজকে সচেতন করাও আমাদের দায়িত্ব।
বাংলা সাহিত্যে মধুমাসের ফলকে কেন্দ্র করে অনেক লেখা রয়েছে। মধূমাসের ফল খেলে আমাদের সুস্থ থাকাসহ সার্বিক দিক ভালো রাখে। সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য প্রাকৃতিক ফল খাওয়ার বিকল্প নেই। দেশের বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীরা ফলে ফরমালিন ব্যবহার করে। সেগুলো বাজার থেকে কিনে শিশুদের খাওয়ানো হয়। যেগুলো আমাদের সন্তানদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। আমাদের দেশ থেকে অনেক ফল হারিয়ে যাচ্ছে ।
দেশীয় ফল বেশি করে লাগাতে হবে। দেশীয় ফলের স্বাদ বেশি। রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশীয় ফলের গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সুস্থ থাকতে ফল খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এই ধরনের ফল উৎসব শিক্ষার্থীদের ফল খেতে এবং সুস্থ জীবন লাভে উৎসাহিত করবে। এবং শিক্ষার্থীরা আনন্দিত হবে।